||ভর্তির নিয়মবিধি||

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মবিধি অনুসারে বিভিন্ন বিষয়ে/ক্লাসে (সাধারণ ও সাম্মানিক উভয় কোর্সে) কলেজ দ্বারা মেধার ভিত্তিতে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হবে।

২০০৮ – ২০০৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে কার্যকর ত্রিবার্ষিক বছরের বি.এ./সাম্মানিক/সাধারন পাঠ্যক্রমে ভর্তির নিয়মবিধি

ভর্তির যোগ্যতাঃ

১। আবেদনকারী উচ্চমাধ্যমিক (১০+২) বা তার সমতুল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তিন বছরের বি.এ. / সাম্মানিক / সাধারণ পাঠ্যক্রমের প্রথম বার্ষিক শ্রেণিতে ভর্তির জন্য আবেদনের যোগ্য বলে গণ্য হবে, যদি কমপক্ষে ১০০ পূর্ণমানযুক্ত ইংরেজি বিষয়ে ঐ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে থাকে।
কোন ছাত্র বা ছাত্রী প্রথম বার্ষিক শ্রেনিতে ভর্তির পূর্ববর্তী যোগ্যতা নির্ধারক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার বছর থেকে তিন বছরের বেশি সময় পরে প্রথম বার্ষিক শ্রেনিতে ভর্তির হবার অনুমতি পাবে না। পূর্ববর্তী যোগ্যতা নির্ধারক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর নিয়মিত পাঠ্যক্রমে ভর্তি হয়ে পঠনপাঠনে ছেদ ঘটানোর বছর থেকে তিন বছেরের বেশি পার হয়ে যাবার পরে কোন আবেদনকারী নতুন করে ভর্তির অনুমতি পাবে না।
ব্যাখ্যাঃ উপরে উল্লেখিত ক্ষেত্রে তিন বছর হিসাব করার সময় ভর্তির আবেদনের বছরটি ধরা হবে না।
সাম্মানিক স্নাতক পাঠ্যক্রমে ভর্তির যোগ্যতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোন আবেদনকারীর মোট প্রাপ্ত নম্বর নির্ণয়ের প্রশ্নে নম্বরের ক্রমানুসার চারটি বিষয়ে তার প্রাপ্ত নম্বরের যোগফল বিবেচনা করতে হবে। যদিও আবশ্যিক "পরিবেশ বিদ্যা/শিক্ষায়" প্রাপ্ত নম্বর মোট নম্বরের সঙ্গে কখনই যোগ করা যাবে না। (যদি কেউ "পরিবেশ বিজ্ঞান" বিষয়টি (১০০নম্বরের) ঐচ্ছিক বিষয় হিসাবে পড়ে থাকে তবে উক্ত বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর মোট সঙ্গে যোগ করা যেতে পারে।)|
২। (ক) কোন বিষয়ে সাম্মানিক পাঠ্যক্রমে ভর্তি হতে চাইলে আবেদনকারীকে অবশ্যই পেতে হবেঃ
(১) পূর্ববর্তী যোগ্যতা নির্ধারক পরীক্ষায় কমপক্ষে সর্বমোট ৫০% এবং যে বিষয়ে সাম্মানিক পাঠ্যক্রমে আবেদন করবে সেই বিষয়ে বা তার সহযোগী সম্পর্কিত (Related) বিষয়ে কমপক্ষে ৪৫% নম্বর।


অথবা


(২) পূর্ববর্তী যোগ্যতা নির্ধারক পরীক্ষায় যে বিষয়ে ভর্তির আবেদন করবে সেই বিষয়ে বা তার সহযোগী/সম্পর্কিত বিষয়ে ৫৫% নম্বর।


অথবা


(৩) পূর্ববর্তী যোগ্যতা নির্ধারক পরীক্ষায় যদি আবেদনকারীর উক্ত বিষয়টি না থাকে তাহলে কমপক্ষে সর্বমোট শতকরা ৫০ নম্বর (অন্য সকল শর্তাবলী পূরণ করা সাপেক্ষে।)
২। (খ) অবশ্য তফশিলি জাতি/উপজাতি ভুক্ত আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সাম্মানিক পাঠ্যক্রমে ভর্তির জন্য নুন্যতম যোগ্যতা বলে গণ্য হবে – পূর্ববর্তী যোগ্যতা নির্ধারক পরীক্ষায় কমপক্ষে সর্বমোট ৪০% অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয় বা সহযোগী/সম্পর্কিত বিষয়ে কমপক্ষে ৪০% নম্বর।
৩। যেসব ছাত্রছাত্রী সর্বভারতীয় বোর্ড/কাউন্সিল (যথা সি.বি.এস.সি., আই.এস.সি. এবং ন্যাশানাল ইন্সটিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং) থেকে উচ্চমাধ্যমিক (১০+২) বা তার সমতুল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে তাদের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিবদ্ধিকরনের জন্য মাইগ্রেশান সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে।
৪। বি.এ. (সাম্মানিক/সাধারণ) পাঠ্যক্রমের জন্য একজন আবেদনকারীকে তার সাম্মানিক বিষয় ছাড়া দুটি/তিনটি ঐচ্ছিক বিষয় নির্বাচন করতে হবে।
আসন সংরক্ষণঃ সরকারি/বিশ্ববিদ্যালয়/বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন দ্বারা বিধি অনুসারে ২২% তফশিলি জাতির জন্য ৬% তফশিলি উপজাতিদের জন্য এবং দৈহিক প্রতিবনদ্ধিদের জন্য ৩% আসন সংরক্ষিত থাকবে।
স্তানান্তরিত হলে/পড়া ছেড়ে দিলেঃ শিক্ষাবর্ষের মধ্যবর্তী সময়ে অন্য কলেজে চলে যেতে চাইলে বা পড়া ছেড়ে দিলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবর্ষে টিউশন ফি সহ সমস্ত ফি পরিশোধ করতে হবে। এ বিষয়এ বিস্তারিত তথ্যের জন্য কলেজ অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
বিষয় পরিবর্তনঃ সাম্মানিক / সাধারণ বিষয় পরিবর্তন করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কলেজ কতৃপক্ষের নিকট আবেদন করতে হবে এবং তা গ্রাহ্য হলে তবেই বিষয় পরিবর্তন হবে।


ভর্তির সময় নিম্নলিখিত নথিগুলির প্রত্যয়িত নকল জমা দিতে হবে:


১। মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড / শংসাপত্র(বয়স প্রমাণের জন্য)।
২। তফশিলি জাতি / উপজাতি / অন্যান্য অনুন্নত সম্প্রদায়ভুক্ত শংসাপত্র (যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
৩। Physically Handicapped – দের শংসাপত্র (যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
৪। উচ্চমাধ্যমিক / সমতুল পরীক্ষার মার্কশিট।
৫। অভিভাবকের আয়ের শংসাপত্র।
৬। বি.পি.এল. কার্ড / অন্ত্যোদয় কার্ড (যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
৭। মাইগ্রেশান শংসাপত্র (যার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)।
৮। সর্বশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত শংসাপত্র।
• দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বর্ষের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষাবর্ষের শুরুতে (পরীক্ষার ফল প্রকাশের পূর্বেই) প্রভিশনাল অ্যাডমিশন নিতে হবে। সেক্ষেত্রে নুন্যতম যে ফি নেওয়া হবে, তা মূল পর্বের ভর্তির সময় বাদ দেওয়া হবে, যারা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হবে তাদের ক্ষেত্রে উক্ত দেয় অর্থ (ফি) অ-ফেরত যোগ্য।
পার্ট ওয়ান, পার্ট টু এবং পার্ট থ্রি পরীক্ষায় যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হবে তাদের পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করার পূর্বে কলেজের ক্যাজুয়াল ফর্ম পূরণ করা বাধ্যতামূলক। অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসা যাবে না।